
মানব সময় সাহিত্য ডেস্ক :
পাহাড় আর আকাশের মিতালি, আকাশের মেঘগুলো যখন পাহাড়টাকে আঁকড়ে ধরে, মনে হয় তার চেয়ে সুন্দর পৃথিবীতে আর কিচ্ছু নেই। কী অপরূপ সৌন্দর্য্যের মাধুরী মিশানো চারিপাশ।চারিদিকে যখন এতোটাই সুন্দর ঠিক সে মূহুর্তেই যেনো ধূসরের আবির্ভাব গোটা পাহাড় জুড়ে।ঝর্ণাগুলো অচল হয়ে থমকে আছে, থমকে আছে বান্দরবানের একমাত্র ভরসার স্থল শংখনদী।
চথুই ফ্রু দাদার মতো যাদুকর কন্ঠশিল্পী রয়েছেন বান্দরবানে, আরো আছেন, জাহাঙ্গীর আলম ভাইয়া এবং নিলুদাদাদের মতো কন্ঠশিল্পী, যাচাই-বাছাই করলে, বাংলাদেশের বড় মাপের শিল্পীদের তালিকায় তাদের নামও আসতো গর্বের সাথে। আছে নৃত্য শিল্পী, অভিনয় শিল্পী, নানান রকম মেধাবী শিল্পী। কিন্তু তাদের এতো মেধা একসময় নীরব হয়ে থমকে যায়। দেখার কেউ নেই, সবাই চেয়ার নিয়ে টানাটানি। ঠিক সে মূহুর্তে আমার মনে হলো, এ শিল্পীগুলোকে কারোর না কারোর বাঁচাতে হবে কারণ তারা বাংলাদেশের জন্য এক একটা সূর্য হয়ে সূর্যের আলো ছড়িয়ে যাবে। কতো এমপি, মন্ত্রীর সাথে কথা বললাম, কিছুই হলো না। ঢাকা প্রতিটা প্রোগ্রামে বক্তব্য দেয়ার সময় বান্দরবানের এতো এতো রত্ন ছড়িয়ে আছে, বার বার সবার সামনে তুলে ধরেছি। বার বার নিরাশ হয়ে ফিরে এসেছি। ঠিক সে মূহুর্তেই মন্ত্রণালয়ের মাননীয় অতিরিক্ত সচিব রেজাউল স্যারের ফোন। তিনি আশ্বাস দিলেন, বান্দরবানকে নিয়ে উনারা কিছু করবেন। শুরুটাই নাটক দিয়ে শুরু হলো, ড. শেখ মোহাম্মদ রেজাউল ইসলামের রচনায়, সঞ্জীব দাসের পরিচালনায় “পাহাড়ি কন্যা” নাটকটি দিয়েই শুরু হলো বান্দরবান শিল্পীদের পথচলা।ঢাকা থেকো এলো, জনপ্রিয় অভিনেতা এবং মন্ত্রণালয়ের মাননীয় সচিব পীরজাদা শহীদুল হারুন মহোদয়, আশিক আহমেদ, সাব্বির এবং শেখ চাঁদনী, বাকী প্রায় অভিনয় শিল্পী বান্দরবানের। বান্দরবান আমার, বান্দরবান আমাদের। বান্দরবানকে শীর্ষে পৌঁছে দেয়ার দায়িত্বও আমাদের। বান্দরবানকে মানুষ চিনবে, গৌরবান্বিত এক মুকুট হিসেবে। এমন শপথ নিয়ে ছুটে যাচ্ছি, দূর থেকে দূরান্তে।