
মানব সময় সাহিত্য ডেস্ক :
প্রকৃতিতে এসেছে ঋতুরাজ বসন্ত। সেই সাথে গত ১৪ফেব্রুয়ারি পালন করা হলো বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। ভালোবাসা শুধু কোনও যুগলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। মা,বাবা, ছেলে, মেয়ে স্বামী,স্ত্রী একে অপরকে শ্রদ্ধা, ও সম্মানের মাধ্যমে সুদৃঢ় হোক পারিবারিক বন্ধন।একটা সময় আমাদের দেশে ছিলো যৌথ পরিবার বর্তমানে যৌথ পরিবার থেকে হয়েছে একক পরিবার, কিন্তু এই একক পরিবারেও যেনো আমাদের শান্তি নেই। স্বামী স্ত্রীর মতের অমিল, পরিবারের বড়দের সম্মান না করা, ছোটদের স্নেহ ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত করা যেনো অসহনীয় পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। যে বাবা, মা সন্তানদের বড় করতে, মানুষের মতো মানুষ করতে জীবনের বেশিরভাগ সময় অর্থ ও শ্রম দিলেন, সেই বাবা, মাকেই একটা সময় আমরা ঝামেলা বা বাড়তি চাপ মনে করে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠিয়ে দেই, খোঁজ খবর নেইনা। অথচ তারা চান বৃদ্ধ বয়সে নাতি নাতনীদের সাথে একটা মধুর সময় কাটাতে। অপরদিকে স্বামী, স্ত্রী বিভিন্ন ভাবে পরকীয়া নামক শব্দটির সাথে জড়িয়ে পারিবারিক নানা অশান্তি সৃষ্টি হচ্ছে সেই সাথে কমে যাচ্ছে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ।এতে সন্তানদের মধ্যে মানসিক চাপ সৃষ্টি হওয়ার ফলে তারা নানা হতাশায় ভুগছে,লেখাপড়ায় অমনোযোগী হয়ে পড়ছে।পারিবারিক বন্ধন যেমন জরুরি তেমনি প্রতিবেশীদের সাথেও সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।পরিবারের যিনি কর্তা তাকে শক্ত হাতে পরিবারের হাল ধরতে হবে,বাবা, মাকে সম্মান করা এবং তাদের দায়িত্ব নিতে হবে।স্ত্রীকে সম্মান এবং তার ভরণপোষণের দায়িত্ব নিতে হবে। সন্তাানকে শাসনের পাশাপাশি আদর, যত্ন স্নেহও করতে হবে। তাদের নীতিনৈতিকতা শেখাতে হবে এবং অপরের প্রতি সহনশীল ও মানবিক হতে সহযোগিতা করতে হনে। মনে রাখতে হবে একটি পরিবার একটি বসন্ত, চাইলে সবাইকে নিয়ে একটি পারিবারিক বাগানেও ভালোবাসার ফুল ফোটনো যায়।