শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন’র উদ্যোগে পানিবন্দী শ্রমিকদের মাঝে খাবার বিতরণ ভেলায় চড়ে ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন নৌ বাহিনী স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আশরাফুল আলম হাইকোর্টের রায় আপিলে বহাল সংবিধানে ফিরলো গণভোেট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা ও মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের বক্তব্য: সস্তা ট্রল বনাম আসল সত্য! চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের জরুরী দায়িত্বশীল বৈঠকে ৯-১৫ জুলাই’২৬ ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সপ্তাহ’ ঘোষণা দক্ষিণ পতেঙ্গায় পানি বন্দি এলাকা পরিদর্শন ও সহায়তা কার্যক্রমে ৪১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুস সাত্তার পতেঙ্গায় পানিবন্দী এলাকা পরিদর্শন করলেন চসিক জামায়াত মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী নাটকীয় হারে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়ার পর রেফারিং নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে মিশর ফুটবল ফেডারেশন বৃষ্টি আর জোয়ারের পানিতে প্লা’বিত ভোলার মনপুরা, পা’নিব’ন্দি লাখো মানুষ সহযোগিতার প্রত্যাশা সরকারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে যুবদল নেতা সোহেলকে হত্যার চেষ্টা সাক্ষীর বুকের পাঁজর নাকের হাড় গুঁড়ো:

আজকের মানব সময় আইন আদালতে প্রকাশিত হলো এ্যাডভোকেট শাহানারা খাতুন (শানু)’র “মিসকেস দায়েরের কারণসমূহ” নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫.২৮ এএম
  • ৪৮ বার পঠিত

মা ন ব স ম য় ডে স্ক :
মিসকেস দায়ের করার কিছু সাধারণ কারণ হলো:
জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ:
একাধিক পক্ষের দাবি থাকলে জমির মালিকানা নিয়ে সমস্যার সৃষ্টি হয়। সমাধান: মিসকেস দায়ের করে আদালতে শুনানি নিয়ে মালিকানা প্রতিষ্ঠা করা।
নামজারি বা খতিয়ান সঠিক না হওয়া:
জমির মালিকানা সঠিকভাবে নামজারি বা খতিয়ান
উত্তোলন না হলে মিসকেস দায়ের করা হয়।
সমাধান: মিসকেসের মাধ্যমে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয় এবং সংশ্লিষ্ট দলিলাদি যাচাই করা হয়।
জমির সীমানা নিয়ে বিরোধ:
জমির সীমানা নিয়ে একাধিক পক্ষের মধ্যে বিরোধ হতে পারে।সমাধান: মিসকেসের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণ করা এবং জমির সীমানা নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা।
মিসকেস দায়েরের প্রক্রিয়া:
মিসকেস দায়ের করতে হলে সাধারণত নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করতে হয়:
অভিযোগ দাখিল:
প্রথমে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসে অভিযোগ দাখিল করতে হবে, যেখানে জমি বা খতিয়ান সম্পর্কিত সমস্যা উল্লেখ করা হবে। শুনানির আবেদন:
জমির সমস্যা সমাধানের জন্য শুনানির আবেদন করতে হবে। এটি ভূমি আদালতে দায়ের করা হয়, এবং ভূমি কর্মকর্তা বা ম্যাজিস্ট্রেট শুনানি নেন।
দলিল যাচাই: জমির মালিকানা সম্পর্কিত দলিল বা সনদ যাচাই করা হয়। যদি দলিলের মধ্যে কোনো অমিল থাকে, তখন তা সংশোধন করার জন্য আবেদন করা হয়। আদালতের সিদ্ধান্ত:
শুনানি শেষে আদালত বা ভূমি অফিসের কর্তৃপক্ষ তার সিদ্ধান্ত দেন। যদি সমস্ত তথ্য সঠিক হয় এবং কোন আইনি সমস্যা না থাকে, তাহলে মিসকেস মীমাংসিত হয়।
মিসকেসে প্রয়োজনীয় দলিল:
মিসকেস দায়ের করতে হলে নিম্নলিখিত দলিলগুলি প্রয়োজন: জমির ক্রয় দলিল অথবা ওয়ারিশ সনদ
পুরনো খতিয়ান বা পর্চা জাতীয় পরিচয়পত্র
জমির সীমানা প্রতিবেদন (যদি প্রয়োজন হয়)
নমিনেশন বা ক্ষমতাপ্রদান পত্র (যদি প্রয়োজন হয়)
মিসকেসের সুবিধা: আইনি সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ: মিসকেস দায়েরের মাধ্যমে জমির মালিকানা বা সীমানা সম্পর্কিত বিরোধ মীমাংসা হয় এবং আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়। আইনগত কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সমাধান: মিসকেসের মাধ্যমে আদালত বা ভূমি অফিসের নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ সমস্যার দ্রুত সমাধান প্রদান করতে পারে।
দলিলের সঠিকতা যাচাই: মিসকেসের মাধ্যমে জমির দলিলের সঠিকতা যাচাই করা হয়, যা ভবিষ্যতে যে কোনো আইনি সমস্যার সমাধানে সহায়ক।
ধন্যবাদান্তে:
এ্যাডভোকেট শাহানারা খাতুন (শানু)
বি.এস.এস(১ম শ্রেনী)এম.এস.এস( ১ম শ্রেনী ৩৬তম মেধা তালিকা)
এলএল.বি, এলএল.এম ( DIU)
জজকোর্ট, ঢাকা। মোবাইলঃ 01791118968- WhatsApp

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved  2021 manobsomoy
Theme Developed BY ThemesBazar.Com