বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। আপনি কী মনে করেন, এই দাবি যৌক্তিক না অযৌক্তিক? দক্ষিণ পতেঙ্গায় জলাবদ্ধতায় পানি বন্দি মানুষের পাশে চসিক মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন সম্মিলিত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক পরিষদ নেতৃবৃন্দের বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত চিকিৎসকের প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন : বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন’র উদ্যোগে পানিবন্দী শ্রমিকদের মাঝে খাবার বিতরণ ভেলায় চড়ে ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন নৌ বাহিনী স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আশরাফুল আলম হাইকোর্টের রায় আপিলে বহাল সংবিধানে ফিরলো গণভোেট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা ও মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের বক্তব্য: সস্তা ট্রল বনাম আসল সত্য! চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের জরুরী দায়িত্বশীল বৈঠকে ৯-১৫ জুলাই’২৬ ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সপ্তাহ’ ঘোষণা দক্ষিণ পতেঙ্গায় পানি বন্দি এলাকা পরিদর্শন ও সহায়তা কার্যক্রমে ৪১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুস সাত্তার পতেঙ্গায় পানিবন্দী এলাকা পরিদর্শন করলেন চসিক জামায়াত মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী

দরজায় কড়া নাড়ছে বৈশাখ – সোমা মুৎসুদ্দী | Manob Somoy

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৪.০২ এএম
  • ৬৭ বার পঠিত

মানব সময় সাহিত্য ডেস্ক :
দরজায় কড়া নাড়ছে পহেলা বৈশাখ। এরই মধ্যে আমাদের মা, মাসি, চাচিরা ঘর গোছানো ধোয়ামোছার কাজ শুরু করে দিয়েছেন।পহেলা বৈশাখে বিশেষ করে, গ্রামের ঘর বাড়িগুলোতে আগেভাগে ধোয়ামোছার কাজ শেষ হয়।বিশেষ করে মাটির বাড়িগুলো লেপানো হয়।অনেকে বাড়ির দরজার সামনে বিউফুল,বেলপাতা ও নিমপাতা টাঙিয়ে রাখেন মঙ্গলের জন্য। এইসময় বেশিরভাগ বাড়িগুলোতে খই ও কড়ইয়ের নাড়ু তৈরি করা হয়। আটকড়িয়া নামক একটি খাবার আছে যেটি তৈরি করা হয় চালভাজা ও নানা ডাল ও বিচি ভাজির সমন্বয়ে ওখানে বাদাম ও দেওয়া হয়। আমাদের মহামুনি পাহাড়তলী গ্রামের বৈশাখী মেলা কয়েকশো বছরের পুরনো।বিশেষ করে আমাদের মহামুনি মন্দিরকে ঘিরে এই মেলা জমে ওঠে। পহেলা বৈশাখের আগের দিন হয় পাহাড়ি মেলা, বিশেষ করে তিন পার্বত্য জেলা থেকে আদিবাসী বৌদ্ধরা এই মেলায় যোগ দেয়। পহেলা বৈশাখের আগে আমাদের গ্রামে ভগবান গৌতম বুদ্ধকে স্নান করানোর প্রচলন আছে।তাছাড়া প্রতিটি বাড়িতে মাছ,মাংস সহ নানা বাজার করে রাখা হয় কারণ পহেলা বৈশাখে, আমাদের গ্রামে নানা অনুষ্ঠানে অতিথিরা যোগ দেন ও প্রতিটি বাড়িতেই অতিথিরা আসেন।আমাদের গ্রামে দুটো সংগঠন মহামুনি তরুণ সংঘ ও মহামুনি সংস্কৃতি সংঘ।দুটো সংগঠনোর সদস্য ও কর্মীরা মনোমুগ্ধকর নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন যার মধ্যে নাচ, গান,আবৃত্তি, বিচিত্রা অনুষ্ঠান ও নাটক পরিবেশিত হয়। পহেলা বৈশাখের দিন সকালবেলা মুক্তাঙ্গন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পহেলা বৈশাখকে বরণ করা হয়।সেই সাথে রাতের অনুষ্ঠান তো আছেই।এইসময় জমে ওঠে বৈশাখী মেলা।মেলায় ওঠে মেয়েদের নানা প্রসাধন,চুড়ি ফিতা,মালা,নানা খেলনা বাঁশি ঢোল,হাতপাখা, পাটি, মোড়া ও মাটির তৈরি জিনিস। তাছাড়া নানা খাবারের দোকানেও লোকজনের ভিড় হয়। সকাল ও সন্ধ্যায়, মন্দিরে,মন্দিরে চলে প্রার্থনা। পহেলা বৈশাখ আমাদের বাঙালি সংস্কৃতির শেকড় ও অংশ একে বাঁচিয়ে রাখতে হবে নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে।
(সোমা মুৎসুদ্দী
লেখক, আবৃত্তিকার ও উপস্থাাপিকা
নন্দনকানন, চট্টগ্রাাম)

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved  2021 manobsomoy
Theme Developed BY ThemesBazar.Com