
জাল দলিল ও আসল দলিল চেনার মূল উপায় হলো সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে ভলিউম বা বালাম বইয়ের সাথে দলিলের তথ্য যাচাই করা
২০১৯ সালের পরের দলিলে QR কোড স্ক্যান করে স্ট্যাম্পের পেছনে ক্রমিক নম্বর পরীক্ষা করে, এবং মূল মালিকের নাম ও স্বাক্ষর যাচাইয়ের মাধ্যমেও জালিয়াতি ধরা সম্ভব।
জাল দলিল চেনার ও আসল দলিল নিশ্চিত হওয়ার বিস্তারিত উপায় নিচে দেওয়া হলো:
সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে তল্লাশি:
দলিলে উল্লিখিত দলিল নম্বর, তারিখ ও রেজিস্ট্রির সাল মিলিয়ে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ‘তল্লাশি’ বা বালাম বইয়ের সাথে যাচাই করুন।
QR কোড স্ক্যান (নতুন দলিল):
২০১৯ সালের পর রেজিস্ট্রি হওয়া দলিলে QR কোড থাকে, যা স্ক্যান করলে ই-দলিল (e-Deed) সিস্টেমে তথ্য পাওয়া যায়।
স্ট্যাম্প ও সিল যাচাই:
স্ট্যাম্পের পেছনে থাকা ভেন্ডরের নাম ও ক্রমিক নম্বর যাচাই করুন। পুরনো দলিলে নতুন সিল বা সিল না থাকা জাল দলিলের লক্ষণ।
স্বাক্ষর ও নাম যাচাই:
দলিলের স্বাক্ষর দাতার স্বাক্ষর ও ছবি আসল কিনা তা স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে নিশ্চিত হোন।
নামজারি ও খতিয়ান (Mutation) যাচাই:
সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস থেকে জমির সর্বশেষ নামজারি ও খতিয়ানের ধারাবাহিকতা (সিএস, এসএ, আরএস) পরীক্ষা করুন।
কাগজ ও কালির ধরন:
অনেক পুরনো দলিলে নতুন কাগজ ও কালি ব্যবহার করা হলে তা সন্দেহজনক।
সতর্কতা:
জমির মূল মালিকের নামের সাথে দলিলে বিক্রেতার নাম ও বালাম বইয়ের নাম হুবহু মিলছে কিনা তা নিশ্চিত না হয়ে কোনো ধরনের লেনদেন করবেন না।
ধন্যবাদান্তে
এ্যাডভোকেট শাহানারা খাতুন (শানু)
বি.এস.এস(১ম শ্রেনী)এম.এস.এস( ১ম শ্রেনী ৩৬তম মেধা তালিকা)
এলএল.বি, এলএল.এম ( DIU)
জজকোর্ট, ঢাকা।
Civil & Criminal Lawyer.
Life Member – Civil Law Foundation.
মোবাইলঃ 01791118968- WhatsApp