
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :
১৯ জুন ২০২৬,চট্টগ্রাম মাদ্রাসা স্কলারশিপ সংগঠনের উদ্যোগে বেসরকারিভাবে পরিচালিত বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান, সম্মাননা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আজ শুক্রবার চট্টগ্রাম মহানগরীর ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডস্থ এস.এন. কনভেনশন হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মাদ্রাসা স্কলারশিপ সংগঠনের সভাপতি মাওলানা মো. আবু জাফর সালেহ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম (IIUC)-এর পরিচালক এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর শফিউল আলম।
প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বন্দর থানার শিক্ষা সমন্বয়ক মোহাম্মদ হাকিম চৌধুরী। তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীদের মাঝে মেধা বিকাশ, প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব সৃষ্টি এবং নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে বৃত্তি পরীক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক মোহাম্মদ হোসেন, বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন সোসাইটি চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক এম. নজরুল ইসলাম খান, বাকের আলী ফকিরের টেক দোকান মালিক সমিতির সভাপতি এম. মোর্শেদ এম এবং বাগেরহাট জেলা ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. জাহিদুল ইসলাম।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা মো. লোকমান হোসেন, মাওলানা মো. হাসানসহ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন ওয়ার্ডের মাদ্রাসা পরিচালক, শিক্ষাবিদ, সমাজসেবক, অভিভাবক এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশে বৃত্তি পরীক্ষা একটি কার্যকর মাধ্যম। তারা ধর্মীয় ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ে দক্ষ, নৈতিক ও আদর্শ নাগরিক গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, চট্টগ্রাম মাদ্রাসা স্কলারশিপ সংগঠন প্রতিবছর ডিসেম্বর মাসে নির্ধারিত সিলেবাসের আলোকে বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করে থাকে। ওই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে মেধার ভিত্তিতে বৃত্তি প্রদান করা হয়।
পরে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃত্তির অর্থ, সম্মাননা ক্রেস্ট, সনদপত্র ও বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও অতিথিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
অনুষ্ঠানের শেষে সংগঠনের পক্ষ থেকে মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।