বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশাল বিভাগীয় সমিতি চট্টগ্রাম’র দাতা সদস্য হলেন এশিয়া ট্রেডার্স’র স্বত্বাধিকারী মো: মিজানুর রহমান স্মৃতির পাতায় মহান মুক্তিযুদ্ধের অগ্নিঝরা দিনগুলি বীর গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমদ রাউজানে কেয়া’র বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের মেধা-উৎকর্ষের স্বীকৃতি ও সংবর্ধনা : সরকার আসে যায় বদলায় না ভাগ্য:মেঘনার তীরের তজুমদ্দিনে চরবাসী মানুষের জীবন – এম এ হান্নান নাজিফা হোমিও হলে সৌজন্য সাক্ষাৎ মানব সময় পত্রিকার সম্পাদক সাংবাদিক বাহার ভাইয়ের আন্তরিক আগমন -ডা.আহসান হাবিব চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি কতৃক আয়োজিত নবীন আইনজীবী প্রশিক্ষন কর্মশালা শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখছেন – অ্যাডভোকেট আহমেদ রেজা হায়াত খান একাত্তর পরবর্তী জুলাই আমাদের শিখিয়েছে—অন্যায়ের সামনে মাথা নত না করে সত্যের পক্ষে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে কীভাবে অধিকার ছিনিয়ে আনতে হয়। সকল বীর শহীদ ও আহতদের প্রতি রইল গভীর সম্মান -আনোয়ার হোসেন চৌধুরী ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে অকুতোভয় আত্মত্যাগকারী সকল সহ যোদ্ধা বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি জানাই গভীর ও বিনম্র শ্রদ্ধা : দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচে “জয় পেলো”মাইজ পাড়া মাহামুদুন্নবী চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় : জুলাই আমাদের শিখিয়েছে—অন্যায়ের সামনে মাথা নত না করে সত্যের পক্ষে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে কীভাবে অধিকার ছিনিয়ে আনতে হয়। সকল বীর শহীদ ও আহতদের প্রতি রইল গভীর সম্মান -সাইফ সেলিম

মালয়েশিয়ায় সংগ্রামী নাসিরের গল্প

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭, ৫.৪৬ এএম
  • ৭৮৫ বার পঠিত
ফাইল ছবি

মালয়েশিয়ার সুরিয়া কেএলসিসি (টুইন টাওয়ার)। কুয়ালালামপুরের এ টাওয়ারটি দেখতে সারা বিশ্বের পর্যটকদের ভিড় জমে প্রতিদিন। শনিবার বিকেলে কাজের ফাঁকে টুইন টাওয়ারের নিচে ফোয়ারার পাশে চিনুজ অন দ্য পার্ক রেস্তোরাঁয় বসে বন্ধুর জন্য অপেক্ষা করছিলেন এই প্রতিবেদক।

মিনিট দশেক পরই হাস্যোজ্জ্বল একজন ওয়েটার সামনে হাজির। কী খাবেন স্যার? এক কাপ কফির অর্ডার নিয়ে তিনি চলে গেলেন।

কিছুক্ষণ পরই ফিরে এসে বললেন, আপনি কি বাংলাদেশি? এই প্রতিবেদকের কাছ থেকে ‘হ্যাঁ’ জবাব পেয়ে জানালেন তিনিও বাংলাদেশি। বাড়ি তার ঝালকাঠি সদরে। নাম মো. নাসির খান।

 

নিজের পরিচয়ে নিজেই জানালেন প্রবাসে ১০ বছরের সংগ্রামী জীবনের ইতিহাস। জানালেন, তার বাবা একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। দু’ভাইয়ের মধ্যে তিনিই বড়।

২০০৮ সালে ষ্টুডেন্ট ভিসায় মালয়েশিয়ায় আসার পর থেকেই আর্থিক স্বচ্ছলতা ও শান্তির খোঁজে প্রবাসে জীবন যুদ্ধের মুখোমুখি নাসির। ২০১০ সালে ভিসা পরিবর্তন করে টুইন টাওয়ারে চাইনিজ মালয়েশিয়ান তেং-এর রেস্তেরাঁয় চিনুজ অন দ্য পার্কেই কাজ করছেন ১০ বছর ধরে। মাসে বাংলাদেশি টাকায় ৫০ হাজারের মতো বেতন তার। সব মিলিয়ে দিন এখন ভালোই যাচ্ছে তার।

কেমন আছেন মালয়েশিয়ায়- এমন প্রশ্নে নাসির বলেন, সকল প্রশংসা সৃষ্টিকর্তার। নয় তো আমার মতো একজন ক্ষুদ্র ‘ওয়েটার’ আজকে বিদেশে কাজ করে দেশে টাকা পাঠাচ্ছে। এর চেয়ে বেশি কি আশা করতে পারি?

 

নাসির যে রেস্তোরাঁটিতে কাজ করছেন সেখানে বিদেশি ক্রেতাই বেশি। তাদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় এবং সমাদৃত এ রেস্তোরাঁটি। বাংলাদেশি হিসেবেও বেশ নাম অর্জন করেছেন এই পেশায়। অর্থ সংকটও দূর হয়েছে তার।

আলাপে প্রকাশ পেল-বাবা-মায়ের প্রতি অগাত শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা রয়েছে নাসিরের। রয়েছে কৃতজ্ঞতাও। সর্বদাই বাবা-মায়ের খোঁজ রাখেন।

দেশ প্রসঙ্গে নাসির বললেন, মন সব সময় দেশেই পড়ে থাকে। বারবার বাড়ির খোঁজ খবর নেয়া লাগে।

বিদায়ের সময় আবার আসার আমন্ত্রণ জানিয়ে বললেন, ‘বাংলাদেশিদের দেখলে আত্মা শান্তি পায়।’

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved  2021 manobsomoy
Theme Developed BY ThemesBazar.Com