শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
আজকের মানব সময় সাহিত্যে প্রকাশিত হলো ড. মোঃ আজিজুল হক এর লেখা ” বাঙালি জীবনে পহেলা বৈশাখ” ৩ লক্ষ শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দিবে চসিক: মেয়র ডা. শাহাদাত | Manob Somoy শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, বইপড়া ও মানবিকতা গড়ে তোলার আহ্বান চসিক মেয়রের আজকের মানব সময় সাহিত্য পাতায় প্রকাশিত হলো জান্নাতুল ফেরদৌসের বৈশাখ নিয়ে লেখা “বৈশাখের জয়ধ্বনি” | Manob Somoy আজকের মানব সময় সাহিত্যে প্রকাশিত হলো সাংবাদিক ও লেখক নীলিমা আক্তার নীলা’র লেখা “এলো বৈশাখ” শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা ২০২৬! ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের এই নতুন বছরে আপনার জীবন ভরে উঠুক অনাবিল আনন্দ, সমৃদ্ধি ও শান্তির – ফাতেমা আক্তার : মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান সাঈদ কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ৩০ নং ওয়ার্ড পূর্ব মাদারবাড়ি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন তিনি দেশবাসীকে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান : বুদ্ধজ্যোতি শ্রেষ্ঠ সাংবাদিক – নীলিমা আক্তার নীলা | Manob Somoy দরজায় কড়া নাড়ছে বৈশাখ – সোমা মুৎসুদ্দী | Manob Somoy আজকের মানব সময় সাহিত্যে প্রকাশিত হলো কবি ও লেখক সোমা মুৎসুদ্দী লেখা ‘একটি পরিবার একটি বসন্ত” লেখাটি

আজকের মানব সময় সাহিত্যে প্রকাশিত হলো ড. মোঃ আজিজুল হক এর লেখা ” বাঙালি জীবনে পহেলা বৈশাখ”

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৪.৫৪ এএম
  • ১ বার পঠিত

মানব সময় সাহিত্য ডেস্ক :
বাঙালি জাতিসত্তার অন্যতম স্মরনীয় ও বরণীয় দিন বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখ। পহেলা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংষ্কৃতিক সংগঠন প্রস্তুতি গ্রহণ প্রায় শেষ করে ফেলেছে। আমরা বর্তমান নিবন্ধে খুব সংক্ষেপে বাঙালি জাতির সমাজ ও সংষ্কৃতিতে অবস্থান নেওয়া পহেলা বৈশাখ সম্পর্কে আলোচনা করবো। এবারে পহেলা বৈশাখে মঙ্গল শোভাযাত্রার পরিবর্তে সরকারি সিদ্ধান্তে অনুষ্ঠিত হবে বৈশাখী শোভাযাত্রা।
প্রসঙ্গত: উল্লেখ্য যে বর্তমান পৃথিবীতে ১৯৫ টি দেশের মধ্যে ১৫০ টির বেশি ভাষা পরিবার রয়েছে, যার মধ্যে প্রচলিত আছে ৭৪৭৪ টি ভাষা(সূত্র: ইউকিপিডিয়া)। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসবাস করে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ। এরমধ্যে সবচেয়ে প্রভাবশালী জনগোষ্ঠী হলো বাঙালি। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের পশ্চিমবাংলা ও আসামে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষের বসবাস। বাঙালি জাতির রয়েছে একান্ত নিজস্ব ইতিহাস এবং ঐতিহ্যগত সুষ্পষ্ট আলাদা ধারা। যুগ যুগান্ত ধরে বাঙালি জাতিগোষ্ঠী নিজেদের প্রথাগত সামাজিক ও সাংষ্কৃতিক আচার-আচরণ, ধ্যান ধারণা, রীতি-নীতি অনুসরণ করে চলেছে। বাঙালির বৈচিত্র্যময় ও সমৃদ্ধ সংষ্কৃতি একদিনে গড়ে ওঠেনি। আমাদের পহেলা বৈশাখ উদযাপনের ধরন কালপরিক্রমায় একশ্রেণির সংষ্কৃতিপ্রেমির প্রাণের উৎসবে পরিণত হলেও পহেলা বৈশাখ উদযাপন নিয়ে রয়েছে দৃষ্টিভংঙ্গিগত পার্থক্য।
বাঙালির চিরায়ত ঐতিহ্য হিসেবে পহেলা বৈশাখে বিভিন্ন ধরনের উৎসব ও খেলাধুলা অনুষ্ঠিত হতো। দু:খজনক হলেও সত্য যে, নগরায়ন ও বিশ্বায়নের প্রভাবে বাঙালির চিরায়ত ঐতিহ্যবাহি খেলা যেমন হাডুডু, বৈশাখি মেলা, নেকৈা বাইচ, ঘোড়দৌড় ইত্যাদি খেলা, নববর্ষের ফসলকাটা উৎসব বা মাঙ্গন দেওয়া ইত্যাদি হারিয়ে যেতে বসেছে। শহরাঞ্চলে আধুনিক প্রজন্মের ধারণা পহেলা বৈশাখ বলতেই রমনার বটমূলে গানের আসর কিংবা আনন্দ শোভাযাত্রা অথচ এই আনন্দ শোভাযাত্রা শুরুই হয় বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে। একবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় শতকে ধর্মনিরপেক্ষে উৎসব বলে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এ সময়ে এরশাদ বিরোধী আন্দোলন তুঙ্গে। ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে মঙ্গল শোভাযাত্রা চালু হয়, যা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে। তবে পহেলা বৈশাখ উদযাপন নিয়ে কারো কারো মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। এক্ষেত্রে আমাদেরকে সংস্কৃতির সংজ্ঞা পর্যালোচনা করতে হবে।
লেখক :
ড. মোঃ আজিজুল হক
আঞ্চলিক পরিচালক
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। সাবেক পরিচালক, উপজাতীয় কালচারাল একাডেমি, রাজশাহী

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved  2021 manobsomoy
Theme Developed BY ThemesBazar.Com