
মানব সময় ডেস্ক :
২০ জুলাই ২০২৬ ইং চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বিবিবিলা পশ্চিম পাড়া এলাকার দীর্ঘদিনের চরম জনদুর্ভোগ লাঘবে এক অনন্য ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ আইনজীবী এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তাকারী সংস্থার চট্টগ্রাম জেলার সম্মানিত সভাপতি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী হোছাইন।
এলাকার অবহেলিত বিবিবিলা পশ্চিম পাড়া জোড় পুকুর পাড়স্থ হতে চরম্বা নয়াবাজার টু আমিরাবাদ কানেক্টেড সলিং রোডের মুখ পর্যন্ত প্রায় ১.৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ কাঁচা ও কাদা-মাটিযুক্ত রাস্তাটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পাকাকরণ বা সলিংকরণের দাবীতে তিনি চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক অনুমতি ও রিসিভ কপি যুক্ত করে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ বরাবর প্রাতিষ্ঠানিক আবেদন জমা প্রদান করেছেন।
জানা যায়, বর্ণিত সড়কটি চরম্বা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের অত্যন্ত জনবহুল ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি সংযোগ সড়ক। এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী হোছাইন বলেন, “যে এলাকায় শিক্ষক, বিচারক, বিসিএস কর্মকর্তা, আইনজীবী ও প্রবাসীসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ নাগরিকেরা বসবাস করেন, সেখানে স্বাধীনতার এতদিন পরেও এমন কাদা-মাটিযুক্ত রাস্তা থাকবে—তা মেনে নেওয়া যায় না। একজন সচেতন নাগরিক ও মানবাধিকার কর্মী হিসেবে নিজের এলাকার মানুষের মানবাধিকার ও স্বাধীন চলাচলের অধিকার নিশ্চিত করাকে নিজের দায়িত্ব মনে করেছি। জেলা প্রশাসন ও জেলা পরিষদে প্রসেসিং শুরু হয়েছে, ইনশাআল্লাহ রাস্তাটি দ্রুত পাকাকরণ বা সলিং না হওয়া পর্যন্ত আমার প্রশাসনিক তদারকি অব্যাহত থাকবে।” দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হাজারো প্রবাসী এবং কৃষক সমাজ বসবাস করেন। কিন্তু দীর্ঘকাল ধরে প্রায় ১.৫০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি সম্পূর্ণ কাঁচা ও অবহেলিত রয়ে গেছে। বর্তমানে বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো রাস্তাটি হাঁটু সমান কাদা-মাটিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়ে, যার ফলে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, মুমূর্ষু রোগীসহ হাজারো সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক যাতায়াত সম্পূর্ণরূপে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় অধিবাসী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী হোছাইন ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে এলাকার হাজারো মানুষের দুর্ভোগ নিরসনে এগিয়ে আসেন। তিনি সরেজমিনে এলাকার সর্বস্তরের মানুষের গণস্বাক্ষর সংগ্রহ এবং স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও প্রধান শিক্ষকের সুপারিশপত্র গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের (DC) কার্যালয়ে উপস্থাপন করে অনুমতি ও রিসিভিং সংগ্রহ করেন এবং সেই সিল সংবলিত কপিসহ জেলা পরিষদ কার্যালয়ে চূড়ান্ত ফাইল জমা দেন।
একজন আইনজীবীর নিজ এলাকার জন্য এমন নিঃস্বার্থ ও পেশাদার প্রশাসনিক পদেক্ষেপকে এলাকার সর্বস্তরের মানুষ অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও অনুকরণীয় উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন এবং দ্রুত রাস্তাটি বাস্তবায়নে কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।