
মা ন ব স ম য় সা হি ত্য ডে স্ক :
খুব মনে পড়ে আমার সেই ছেলেবেলার ঈদ
চাঁদ রাতে চোখে থাকতো না এক ফোটা নিদ
সারানিশি ছটফট কখন হবে ভোরের আযান
সকালের আলো ফুটলেই যেন দেহে আসতো জান।
জলে ভাসা সাবান নিয়ে বাবার সাথে নদীতে যাওয়া
শীতলক্ষ্যায় গোসল কি যে সুখ যেন পরম পাওয়া
বাড়ি ফিরে মায়ের হাতে নতুন জামা পড়ে
সালাম শেষে সালামি পেতে যেতাম এ ঘর ও ঘরে।
নানার বাড়ি কাছে থাকায় দৌড়ে চলে যেতাম
নানা -নানীকে সালাম করে পাওনা বুঝে নিতাম
সেমাই পায়েস পিঠাপুলি নানান রকম খাওয়া
আনন্দের আর সীমা নেই বইতো পাগলা হাওয়া।
মনে পড়ে বাবার সাথে ঈদগাহেও যেতাম
এই সুযোগে বাইরে থেকে আচার কিনে খেতাম
কোথায় গেলো সেদিনগুলো কোথায় ছেলেবেলা
আজ বুঝি শৈশবেই আনন্দ ছিলো মেলা।
এখন আমি অনেক বড় আকাশ ছুঁতে পারি
ছেলেবেলার সেদিনগুলো দিয়ে এলাম পাড়ি
সব দিনই একই রকম ভিন্ন কিছুই নাই
ঈদ মানেই রান্নাঘর এতেই মজা পাই।
সন্তানদের মাঝে খুঁজি আমি আমার ছেলেবেলা
ওদের আনন্দেই ঈদের দিন যেন আমার চাঁদের মেলা
ঈদের শাড়ি পড়ে থাকে আলমারিতে মুখ বুজে
পড়া হয়না শাড়ি আর দিন কেটে যায় নানান কাজে।
সেদিন আর এদিনের মাঝে এই হলো পার্থক্য
মেয়েরা বলে মাগো, তোমার মনে কেন বার্ধক্য
ওরা আমার ফুলকুঁড়ি ওরাই আমার সুখের নুড়ি
ওরাই আমার ঈদ ওরাই আমার খুশির সায়েরী।