শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশাল বিভাগীয় সমিতি চট্টগ্রাম’র দাতা সদস্য হলেন এশিয়া ট্রেডার্স’র স্বত্বাধিকারী মো: মিজানুর রহমান স্মৃতির পাতায় মহান মুক্তিযুদ্ধের অগ্নিঝরা দিনগুলি বীর গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমদ রাউজানে কেয়া’র বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের মেধা-উৎকর্ষের স্বীকৃতি ও সংবর্ধনা : সরকার আসে যায় বদলায় না ভাগ্য:মেঘনার তীরের তজুমদ্দিনে চরবাসী মানুষের জীবন – এম এ হান্নান নাজিফা হোমিও হলে সৌজন্য সাক্ষাৎ মানব সময় পত্রিকার সম্পাদক সাংবাদিক বাহার ভাইয়ের আন্তরিক আগমন -ডা.আহসান হাবিব চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি কতৃক আয়োজিত নবীন আইনজীবী প্রশিক্ষন কর্মশালা শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখছেন – অ্যাডভোকেট আহমেদ রেজা হায়াত খান একাত্তর পরবর্তী জুলাই আমাদের শিখিয়েছে—অন্যায়ের সামনে মাথা নত না করে সত্যের পক্ষে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে কীভাবে অধিকার ছিনিয়ে আনতে হয়। সকল বীর শহীদ ও আহতদের প্রতি রইল গভীর সম্মান -আনোয়ার হোসেন চৌধুরী ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে অকুতোভয় আত্মত্যাগকারী সকল সহ যোদ্ধা বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি জানাই গভীর ও বিনম্র শ্রদ্ধা : দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচে “জয় পেলো”মাইজ পাড়া মাহামুদুন্নবী চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় : জুলাই আমাদের শিখিয়েছে—অন্যায়ের সামনে মাথা নত না করে সত্যের পক্ষে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে কীভাবে অধিকার ছিনিয়ে আনতে হয়। সকল বীর শহীদ ও আহতদের প্রতি রইল গভীর সম্মান -সাইফ সেলিম

বাল্যবিবাহ রোধ করতে হবে সম্মিলিতভাবে

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭, ১০.২৯ এএম
  • ৮১৯ বার পঠিত
ফাইল ছবি

ইদানীং পত্রপত্রিকায় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের খবর যখন আমাদের আশান্বিত করে তুলছিল, তখন এই ৪৫ জন ছাত্রীর বিয়ের কারণে পরীক্ষায় না বসার খবরটি আমাদের উদ্বিগ্ন না করে পারে না।

শুক্রবার প্রথম আলোয় প্রকাশিত এক খবরে বাল্যবিবাহের কারণে এই ৪৫ জন ছাত্রীর পরীক্ষায় না বসার বিষয়টি জানা যায়। খবর অনুযায়ী, এই ছাত্রীরা যেসব স্কুলে এত দিন পড়ালেখা করে আসছিল, সেসব স্কুলে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নিয়মিত নানা সচেতনতামূলক সভা করা হয়। শ্রেণিকক্ষে বাল্যবিবাহের শারীরিক ও মানসিক ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে ছাত্রছাত্রীদের ধারণা দেওয়া হয়। কিন্তু এসব উদ্যোগ যে খুব একটা কাজে আসেনি, ৪৫ জন ছাত্রীর বাল্যবিবাহের শিকার হওয়াই তার প্রমাণ।

তাহলে করণীয় কী? চলতি বছরেই দেশে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে আইন হয়েছে। তবে ওই আইনের একটি বিশেষ বিধান অনুযায়ী, কোনো বিশেষ প্রেক্ষাপটে অপ্রাপ্তবয়স্কের সর্বোত্তম স্বার্থে, আদালতের নির্দেশে এবং পিতা-মাতা বা অভিভাবকের সম্মতিক্রমে বাল্যবিবাহ হলে তা অপরাধ বলে গণ্য হবে না। হতে পারে এই ৪৫ জন ছাত্রীর অভিভাবকেরা ওই বিশেষ বিধানের সুযোগ নিয়ে তাদের বাল্যবিবাহ দিয়েছেন।

আমরা মনে করি, কোনো অবস্থায়ই বিয়ের বয়সের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া যাবে না। জরুরি ভিত্তিতে এ আইনটি সংশোধন করা হোক। এর পাশাপাশি ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের মধ্যে বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। তাঁদের জন্য নিয়মিত আলোচনা সভার আয়োজন করতে হবে, যেখানে তাঁরা বাল্যবিবাহের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জানতে পারবেন। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাগুলো ও সুশীল সমাজের সদস্যরা এ ব্যাপারে উদ্যোগ নিতে পারেন।

 বাল্যবিবাহ রোধের পাশাপাশি এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তির আওতায় আনা হোক।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved  2021 manobsomoy
Theme Developed BY ThemesBazar.Com