
নীলিমা আক্তার নীলা, বান্দরবান :
২০১৮ সাল, হঠাৎ আমার মোবাইলে একটি কল , জিজ্ঞেসা করলাম, কে বলছেন প্লিজ? ও পাশ থেকে উত্তর এলো, আমি ড. শেখ মোঃ রেজাউল ইসলাম বলছি, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব। রীতিমতো আমার হাত পা কাঁপা-কাঁপি শুরু হয়েছে, বিশ্বাসই হচ্ছিল না, একজন অতিরিক্ত সচিব মহোদয়ের কল। সচিব মহোদয় বললেন, আপনি মানবাধিকার নিয়ে ভালো কাজ করছেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আপনাকে পুরস্কৃত করবো, এজন্য কল করা। আমার চোখ দু’টো ভিজে গেলো, মনে হলো, এমন আনন্দের সংবাদ খুবই ভাগ্যের গুণেই আসে, মনে মনে বাবাকে স্মরণ করলাম, বললাম, বাবা আজকের এই সংবাদে তোমার আনন্দ হয়তো আরো অনেক বেশি হতো, তোমার এই আনন্দ দেখা থেকে আমি বঞ্চিত হলাম।
ড. শেখ মোঃ রেজাউল ইসলাম, আলোকিত একটি সূর্যের নাম, গর্বের নাম। যার হাত ধরে শীর্ষ থেকে শীর্ষে পৌঁছে যাচ্ছে মানুষ। নিজের লেখা নাটক, গান, কবিতা কিংবা যাদুকর কন্ঠ, কখনো বা বাঁশির সুরের সুর থমকে দিয়েছে মানুষের মায়াময় মন। কী জানেন না তিনি? এমন প্রশ্নের উত্তর হয়তো তিনিও জানেন না আদৌ। “পাহাড়ি কন্যা” ঈদের সাত পর্বের ধারাবাহিক নাটক রচনা করে , হৈচৈ ফেলে দিলেন সারা বাংলাদেশে। বাবা দিবসে অর্জন করলেন, আরেকটি গৌরবময় ইতিহাস, পেয়ে গেলেন, সেরা বাবার সম্মাননা।
স্যার আপনাকে নিয়ে লেখা, বিশাল এক কঠিন ব্যাপার। তারপরও সাহস করে, একটি বই আপনাকে নিয়ে আমি লিখবো।
আপনার জন্মদিনটা কতোটা সুন্দর, নির্মল তার হিসেব কারো কাছে নেই, এতোটাই সুন্দর আপনার জন্মদিন। শুভ জন্মদিন স্যার। আলোয় আলোয় আপনার জন্মদিনটা পালন করা হোক, লক্ষ হাজার বছর। অনেক অনেক শুভ কামনা।