রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মিফতাহুল জান্নাত ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ’র উদ্যোগে একটি বড় অপারেশনের জন্য মোসাম্মাৎ অনুপা বেগম নামে একজন রোগীকে ২০ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করা হলো: জাতীয় পাবলিক পরীক্ষায় ছেলেদের পিছিয়ে পড়ার ব্যবধান বাড়ছে: কারণ খুঁজে শিক্ষা প্রশাসনকে এখনই কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে –এম. নজরুল ইসলাম খান সমাজ আছে, মানুষ আছে—শুধু কোথায় যেন হারিয়ে গেছে মানবিকতা — জাহাঙ্গীর আলম শহীদ জিয়া আন্তঃস্কুল ফুটবলে জয় পেলো দক্ষিণ পতেঙ্গা চসিক উচ্চ বিদ্যালয় ও মাইজপাড়া মাহমুদন্নবী চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় : শহীদ জিয়া আন্তঃস্কুল ফুটবলে জয় পেয়েছে দক্ষিণ হালিশহর-বাকলিয়া-শেরশাহ কলোনী ও ছালেহ জহুর চট্টগ্রাম মডেল স্কুলে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীদের এইচপিভি (HPV) টিকাদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত : ভোলা ডেভেলপমেন্ট ফোরাম চট্টগ্রাম অঞ্চল’র (২০২৬-২০২৯) নতুন কার্যকরী কমিটির সভাপতি হলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ আমিনুর রহমান লিটন ভোলা ডেভেলপমেন্ট ফোরাম চট্টগ্রাম অঞ্চল’র (২০২৬-২০২৯) নতুন কার্যকরী কমিটির সভাপতি হলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ আমিনুর রহমান লিটন ও সাধারণ সম্পাদক মো:শাহ আলম : চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন নান্দনিক চট্টলার প্রেসিডেন্ট ইলিয়াছ রিপন ডিএইচএমএস হোমিও চিকিৎসক কল্যাণ সোসাইটির সাথে ঔষধ প্রশাসনের সহকারী পরিচালকের মতবিনিময় সভা

১০ জুন, শনিবার থেকে পর্যটকবাহী দ্বিতল বিশেষ বাস সার্ভিস চালু হবে নগরীতে

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১০ জুন, ২০২৩, ১২.২৬ পিএম
  • ২৫৯ বার পঠিত

বিশেষ প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম ||

পাহাড়,নদী আর সমুদ্র-শুভ্রতার এমন ভৌগলিক মেলবন্ধন চট্টগ্রাম ছাড়া আর কোথায়ও নেই।   রাজনীতির নন্দিত প্রাণপুরুষ চট্টগ্রাম-৭ ও ৮ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মইন উদ্দীন খান বাদল   বিভিন্ন সভা সমাবেশে যখনই চট্টগ্রাম নিয়ে কথা বলতেন এই প্রশ্নবাক্যটি থাকতো তার বক্তব্যে। প্রকৃতির এই নির্মল শুভ্রতাকে কতখানিইবা দেখা হয় আমাদের? কিংবা হয়েছে?

সময়ের দূরত্ব, ব্যস্ততা কিংবা বিরক্তিকর যানজটের ভোগান্তি সহ্য করে কতজনেরই যাওয়া হয় সমূদ্রঘেষে প্রকৃতির খুব কাছাকাছি। ‘দু’চোখ মেলিয়া’ কতজনেরই বা দেখা হয় রূপবতি চট্টলার অপরূপ এই সৌন্দর্য। অর্থের সীমাবদ্ধার কথা না হয় বাদই থাক।

বহদ্দারহাট থেকে টাইগারপাস-আগ্রাবাদ থেকে পতেঙ্গা যেতে যানজটের ভোগান্তিতে কমবেশি আমরা সবাই ভুক্তভোগী। তারপর রয়েছে বন্দর ও ইপিজেডের নাগরীক দূর্ভোগ। জটের তীব্রযন্ত্রণা পাশ কাটিয়ে কালভদ্রে যদিও আমাদের সমুদ্র দর্শনে যাওয়া হয়-পথের বিরম্বনায় সে দর্শন আর হয়ে ওঠে কতজনের!

প্রকৃতিপ্রেমি পর্যটকদের সে বিড়ম্বনা দূর করতে এবার এগিয়ে এসেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামানের পরিকল্পনা ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশনের (বিআরটিসি) সহযোগিতায় ‘পর্যটক বাস’ সার্ভিস পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছেন তারা।

আগামী ১০ জুন, শনিবার থেকে পর্যটকবাহী দ্বিতল বিশেষ বাস সার্ভিস চালু হবে নগরীতে। বিশেষ এই বাস সার্ভিস নগরীর টাইগারপাস থেকে যাত্রা করে ডিসি পার্ক (ফৌজদার হাট) হয়ে পৌঁছাবে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে। ফিরতি বাস পাওয়া যাবে নির্ধারিত সময়ে-সৈকত থেকেই।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, প্রতি শুক্রবার টাইগারপাস থেকে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে যাবে পর্যটকবাহী দ্বিতলবাসের তিনটি ট্রিপ। টাইগারপাস থেকে বাসগুলো ছাড়া হবে সকাল ৯টা, বিকেলে ৩টা ও বিকেল ৪টায়।

প্রতি শনিবার পর্যটকবাহী বাসের ট্রিপ দেওয়া হবে ৪টি। টাইগারপাস থেকে বাসগুলো ছাড়া হবে সকাল সাড়ে ৯টা, সাড়ে ১০টা, বিকেলে ৩টা ও বিকেল ৪টায়।

রোববার থেকে বৃহস্পতিবার টিপ হবে দুইটি। টাইগারপাস থেকে বাসগুলো ছাড়া হবে বিকেল ৩টা ও ৪টায়।

পতেঙ্গা সমূদ্র সৈকত থেকে একই রুটে পর্যটকবাহী বাসগুলো ফিরে আসবে টাইগারপাসে। প্রতি শুক্রবার থাকবে বিশেষ এই বাস সার্ভিসের ৩টি ট্রিপ। পতেঙ্গা সমূদ্র সৈকত থেকে ছাড়া হবে দুপুর ১২ টা, সন্ধ্যা ৭টা ও রাত ৮টা।

প্রতি শনিবার পতেঙ্গা সমূদ্র সৈকত পর্যটকবাহী বাসের ট্রিপ দেওয়া হবে ৪টি। সৈকত থেকে বাসগুলো ছাড়া হবে দুপুর ১টা, দুপুর ২টা, সন্ধ্যা ৭টা ও রাত ৮টায়।

রোববার থেকে বৃহস্পতিবার বাসের ট্রিপ হবে দুইটি। পতেঙ্গা সৈকত থেকে বাসগুলো ছাড়া হবে সন্ধ্যা ৭টা ও রাত ৮টায়।

জেলা প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গেছে, টাইগারপাস থেকে সমুদ্র সৈকতের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে জনপ্রতি ৭০টাকা। কেউ টাইগারপাস থেকে  ডিসিপার্ক (ফৌজদারহাট) যেতে চাইলে দিতে ৪০টাকা। ডিসিপার্ক (ফৌজদারহাট) থেকে কোনো যাত্রী পতেঙ্গ সমুদ্র সৈকত যেতে চাইলে ভাড়া গুণতে হবে শুধুমাত্র ৩০টাকা।

পর্যটকবাহী বিশেষ এই বাস সার্ভিস সম্পর্কে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান ক্লিক নিউজকে বলেন, জেলা প্রশাসক হিসেবে চট্টগ্রামে যোগদানের পর পতেঙ্গাগামী যানজটের বিষয়টি বেশ নাড়া দিয়েছে আমাকে। জেলা প্রশাসক হয়েও আমাকেই যদি এই ভোগান্তির মুখোমুখি হতে হয় তাহলে পর্যটকদের অবস্থা সহজেই অনুমেয়।

তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী স্যারের সাথে কথা বলি। স্যারকে বিআরটিসির ৪টি বাস দেয়ার অনুরোধ করলে ২টি বাস দিতে রাাজি হন। পরে এই রুটে আরও দুটি বাস সংযুক্ত করার হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

এক প্রশ্নের জবাবে জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেন, পর্যটনবাহী বিশেষ এই বাস সার্ভিস বিআরটিসি পরিচালনা করলেও সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকবে জেলা প্রশাসন। বাসগুলো ঠিক মতো চলছে কিনা, সিডিউল অনুযায়ী ছাড়ছে কিনা-সে বিষয়গুলো দেখাশোনাসহ কীভাবে আরও স্টপেজ ও বাসের সংখ্যা বাড়ানো যায়-সে বিষয়গুলো তদারকি করবো আমরা। যোগ করেন তরুণ এই প্রশাসক |

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved  2021 manobsomoy
Theme Developed BY ThemesBazar.Com