শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশাল বিভাগীয় সমিতি চট্টগ্রাম’র দাতা সদস্য হলেন এশিয়া ট্রেডার্স’র স্বত্বাধিকারী মো: মিজানুর রহমান স্মৃতির পাতায় মহান মুক্তিযুদ্ধের অগ্নিঝরা দিনগুলি বীর গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমদ রাউজানে কেয়া’র বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের মেধা-উৎকর্ষের স্বীকৃতি ও সংবর্ধনা : সরকার আসে যায় বদলায় না ভাগ্য:মেঘনার তীরের তজুমদ্দিনে চরবাসী মানুষের জীবন – এম এ হান্নান নাজিফা হোমিও হলে সৌজন্য সাক্ষাৎ মানব সময় পত্রিকার সম্পাদক সাংবাদিক বাহার ভাইয়ের আন্তরিক আগমন -ডা.আহসান হাবিব চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি কতৃক আয়োজিত নবীন আইনজীবী প্রশিক্ষন কর্মশালা শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখছেন – অ্যাডভোকেট আহমেদ রেজা হায়াত খান একাত্তর পরবর্তী জুলাই আমাদের শিখিয়েছে—অন্যায়ের সামনে মাথা নত না করে সত্যের পক্ষে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে কীভাবে অধিকার ছিনিয়ে আনতে হয়। সকল বীর শহীদ ও আহতদের প্রতি রইল গভীর সম্মান -আনোয়ার হোসেন চৌধুরী ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে অকুতোভয় আত্মত্যাগকারী সকল সহ যোদ্ধা বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি জানাই গভীর ও বিনম্র শ্রদ্ধা : দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচে “জয় পেলো”মাইজ পাড়া মাহামুদুন্নবী চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় : জুলাই আমাদের শিখিয়েছে—অন্যায়ের সামনে মাথা নত না করে সত্যের পক্ষে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে কীভাবে অধিকার ছিনিয়ে আনতে হয়। সকল বীর শহীদ ও আহতদের প্রতি রইল গভীর সম্মান -সাইফ সেলিম

দুর্বৃত্তদের ধরুন, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ান

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭, ১০.২৭ এএম
  • ৮১৯ বার পঠিত
ফাইল ছবি

রংপুরের গঙ্গাচড়ার অঘটনটি হঠাৎ করেই ঘটেনি। মৃত খগেন রায়ের ছেলে টিটু রায় অবমাননাকর স্ট্যাটাস দিয়েছেন বলে ৫ নভেম্বর গঙ্গাচড়া থানায় মামলা করেছিলেন একজন। তাহলে পুলিশ কেন ঘটনাটি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিল না? তারা আগেভাগে ব্যবস্থা নিলে হয়তো সেখানকার হিন্দু পরিবারের বাড়িঘরগুলো পুড়ত না। অন্যদিকে বিক্ষুব্ধ লোকদের ঠেকাতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে একজন নিরীহ মানুষ মারা যাওয়ার ঘটনাও দুঃখজনক।

এর আগে ২০১২ সালে কক্সবাজারের রামুতে, ২০১৬ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ফেসবুকে ভুয়া আইডি ব্যবহার করে স্ট্যাটাস দিয়ে দুর্বৃত্তরা অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করে। তারা রামুতে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের এবং নাসিরনগরে হিন্দু সম্প্রদায়ের বহু ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে ও জ্বালিয়ে দেয়। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, কোনো ঘটনায় এখন পর্যন্ত অপরাধীরা শাস্তি পায়নি।

রংপুরের ঘটনাটি রহস্যাবৃত। সেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তিই ধর্মীয় অবমাননাকর কোনো স্ট্যাটাস দিয়েছেন, নাকি তাঁকে ফাঁসানোর জন্য কেউ এই দুষ্কর্ম করা হয়েছে, সেটি খতিয়ে দেখা দরকার। কেউ ধর্মীয় অবমাননাকর কিছু করলে দেশের প্রচলিত আইনে তাঁর বিচার হবে। কিন্তু সেটিকে অজুহাত হিসেবে খাড়া করে কোনোভাবেই সম্প্রদায়বিশেষের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া চলতে পারে না। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার কারও নেই। পাঁচ দিন আগে দায়ের করা মামলার তদন্তের আগেই কেন হিন্দুদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হলো? এর পেছনে মহলবিশেষের উসকানি আছে কি না, সেটিও দেখার বিষয়।

এলাকার পরিস্থিতি থমথমে। বিশেষ করে আক্রান্ত হিন্দু পরিবারগুলো ভয়ভীতির মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তথা সরকারের দায়িত্ব তাদের নিরাপত্তা দেওয়া। যাদের ঘরবাড়ি পোড়ানো হয়েছে, তারা এখন খোলা আকাশের নিচে বাস করতে বাধ্য হচ্ছে। অবিলম্বে তাদের ঘরবাড়িগুলো পুনর্নির্মাণ করে দেওয়া প্রয়োজন।

আমরা পুরো ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং অপরাধীদের শাস্তি দাবি করছি। কেউ ধর্মীয় অবমাননাকর কিছু করলে আইন অনুযায়ী তার বিচার হবে। কিন্তু তাই বলে ধর্মের নামে সম্প্রদায়বিশেষের ওপর সংঘবদ্ধ হামলা এবং তাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া বরদাশত করা যায় না। অপরাধী যে-ই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved  2021 manobsomoy
Theme Developed BY ThemesBazar.Com