মানব সময় ডেস্ক :
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে খেলাধুলা,সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের বা কো-কারিকুলাম এর প্রয়োজনীয়তা কেন তা এখনো অনেকে অনুধাবন করতে পারছেন না। শিক্ষাক্রমের অন্তর্ভুক্ত সহশিক্ষা ক্রমিক কার্যাবলীর গুরুত্ব অনেক ব্যাপক। শিক্ষা কার্যাবলীর সমন্বয়ে শিক্ষাক্রমের যে অংশ সামগ্রিকভাবে শিক্ষার লক্ষ্যে উপনীত হতে সহায়তা করে তাকেই বলা হয় সহ-শিক্ষাক্রম বা কো-কারিকুলাম।
যেমন:
১/দৈহিক উন্নয়নের জন্য কার্যাবলী যেমন,ইনডোর গেমস, আউটডোর গেমস, অ্যাথলেটিক।
২/সাহিত্য একাডেমিক উন্নয়নে বিতর্ক ও আলোচনা, প্রবন্ধ লিখুন প্রতিযোগিতা, নাট্যকলা, দেয়াল পত্রিকা, সিম্পোজিয়াম, গল্প লিখন, আবৃত্তি, সাহিত্য- বিজ্ঞান -গণিত মেলা, স্কুল ম্যাগাজিন।
৩/নান্দনিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে সংগীত,নৃত্য, অংকন, লোকসংগীত, মনের মত সাজা। এসব কার্যাবলীর জন্য একজন শিক্ষার্থীর প্রকৃত শিক্ষা গ্রহণ করতে বা শিক্ষার মূল উদ্দেশ্যে পৌঁছতে পারে।
তাই প্রতিটি শিশুকে তার শারীরিক, মানসিক, সামাজিক, নান্দনিক, নৈতিক বিকাশের জন্য সহশিক্ষাক্রমে অংশগ্রহণ করা জরুরী। এতে শিক্ষার্থীর অন্তর্নিহিত সম্ভাবনার বিকাশ, সামাজিক বৈশিষ্ট্য গঠন, বিদ্যালয় জীবনের প্রতি আকর্ষণ সৃষ্টি,শিক্ষামূলক নির্দেশনা দানের সুবিধা,অবসরের বিনোদন, ভবিষ্যৎ জীবনের প্রস্তুতি, পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সচেতনতায় বর্তমান শিক্ষাক্রমে যে চেষ্টাটা করা হচ্ছে তা অর্জনে সহায়ক। শিক্ষার্থীর মান উন্নয়নে উপযুক্ত মনোভাব গড়ে তোলায় সহশিক্ষাক্রমিকের কার্যবলির সুফল আমরা হয়তো প্রত্যক্ষ করতে পারব যদি আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন করতে পারি।
(প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক, চট্টগ্রাম মডেল স্কুল)