রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
খাগড়াছড়িতে ৩৬১২ জন আনসার ও ভিডিপির সদস্য পেলো ঈদ উপহার সামগ্রী সিমেন্ট ক্রসিং -মোহাম্মদ আলী শাহ রোড এলাকায় মাদক বিরোধী সমাবেশ ও মানববন্ধন: ৭ দিনের আল্টিমেটাম শিশুদের সুস্থ বিকাশে প্রয়োজন সাংস্কৃতিক চর্চাঃ চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন চট্টগ্রাম ওয়াসার নতুন এমডি হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন প্রকৌশলী সেলিম জানে আলম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হলো চসিক ৩৯ নং ওয়ার্ড এর অন্তর্গত ঐতিহ্যবাহী সিডিএ বালুর মাঠ গরুর বাজার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ডের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সিনিয়র নেতৃবৃন্দ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) রাজস্ব আদায়ে গতি আনতে কঠোর নির্দেশনা দিলেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন আমি বিচার চাই না,কারণ আপনারা বিচার করতে পারবেন না। আমার। আপনাদের বিচারের কোনো উদাহরণ নেই। এটা বড়জোর ১৫ দিন চলবে, আবার কোনো ঘটনা ঘটবে। এরপর এটা ধামাচাপা পড়ে যাবে। আবদুল হান্নান মোল্লা নি/হত শিশু রামিসার বাবা চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশকে সড়কে মৃত্যু প্রতিরোধে গতিসীমা নির্দেশিকা বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণ প্রদান ভোলা সমিতি ঢাকার পৃষ্ঠপোষক সদস্য জনাব জহির রায়হান উত্তরা লিবার্টি ক্লাব লিমিটেডে এর প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় ভোলা সমিতি ঢাকার অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা ১৮মে মেহের আফজল স্কুল মাঠ MLN আন্ত:ফুটবল টুর্ণামেন্ট-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন ৩৮ নং ওয়ার্ড সাবেক সভাপতি মো: আযম উদ্দিন

অভিযুক্ত ব্যক্তিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করুন

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭, ১০.০৯ এএম
  • ৮২১ বার পঠিত
ফাইল ছবি

বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদনে অগ্নিসংযোগের দায়ে যে ২৯ ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে এবং সিলেটের মহানগর বিচারিক হাকিম আদালত যাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন, তাঁদের অধিকাংশই অগ্নিসংযোগের ঘটনার সময় সরকারপন্থী ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী ছিলেন, অন্যরা সরকারি দলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। উল্লেখ্য, ঘটনার পরপরই ইসলামী ছাত্রশিবিরের দুই কর্মী ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করে আদালতে দুটি পৃথক নালিশি মামলা করেছিলেন; আর ছাত্রাবাসটির তত্ত্বাবধায়ক শাহপরান থানায় মামলা করেছিলেন অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে। এই তিনটি অভিযোগ একীভূত করে আদালত পুলিশকে ঘটনা তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। পুলিশ ও সিআইডি দুই দফায় তদন্ত করে, তারপর অধিকতর তদন্ত করে পিবিআই। ওই সব তদন্তেই অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ‘প্রমাণ পাওয়া যায়নি’ বলে তাঁদের অব্যাহতির সুপারিশ করে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন পেশ করা হয়।

পুলিশের এই তিনটি সংস্থার ব্যর্থতার পরিপ্রেক্ষিতেই বিচার বিভাগীয় তদন্ত করা হয় এবং এর ফলে ছাত্রাবাসে অগ্নিসংযোগকারীদের পরিচয় বেরিয়ে আসে। এটা এখন স্পষ্ট যে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্তৃপক্ষগুলোর কথিত তদন্তে সত্য উদ্‌ঘাটনের দায়িত্ব এড়ানো হয়েছে রাজনৈতিক বিবেচনা থেকে। রাজনৈতিক সহিংসতা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের অপরাধের বিচার করার ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো ক্ষমতাসীন দল কিংবা তাদের রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ছাড় দেয়—সিলেটের এ ঘটনা তার একটা সুস্পষ্ট দৃষ্টান্ত।

কিন্তু এই চর্চা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এর ফলে আইনের শাসন দুর্বল থেকে দুর্বলতর হচ্ছে, বিচারহীনতার পরিবেশ পরিব্যাপ্ত হচ্ছে এবং অপরাধ করে শাস্তির ঊর্ধ্বে থাকা যায় এমন ধারণা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটা শুধু রাজনৈতিক সংস্কৃতির পক্ষেই ক্ষতিকর হচ্ছে না, পেশাদার অপরাধবৃত্তি প্রসারের পথও খুলে দিচ্ছে। অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হচ্ছে।

এসবের অবসান ঘটানো দরকার। শুধু দেশের স্বার্থে নয়, ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতির স্বার্থেও। ছাত্রাবাসে অগ্নিসংযোগের দায়ে যে ২৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে, তাঁরা এখন যেখানেই থাকুন, যে সংগঠনই করুন না কেন, সবাইকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হোক।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved  2021 manobsomoy
Theme Developed BY ThemesBazar.Com