রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ার কারিগর শিক্ষক: মর্যাদাই ভবিষ্যৎ নির্মাণের ভিত্তি —এম নজরুল ইসলাম খান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন আজিজ নগর সাংগঠনিক উপজেলা শাখা আইন হবে সাইবার সুরক্ষার ঢাল: অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ —এম নজরুল ইসলাম খান সিডিএ চেয়ারম্যানকে আনোয়ারা ফাউন্ডেশনের স্মারকলিপি বাংলাদেশ সাংবাদিক ক্লাব-বিজেসি’র ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন চট্টগ্রামে ইয়েস একাডেমির প্রশিক্ষণ এবং গ্রীন শিফা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক এর সাথে চিকিৎসা সেবামূলক কর্পোরেট চুক্তি সম্পন্ন। চট্টগ্রাম মডেল স্কুলে পিটিএ ও স্টুডেন্ট কাউন্সিলের যৌথ সভা অনুষ্ঠিত: ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে বিশেষ গুরুত্ব আজকের মানব সময় সাহিত্য প্রকাশিত হলো শিক্ষানবিশ আইনজীবী শারমিন সুলতানা ঝুমুর লেখা “ব্যক্তিত্ব” আমাকে রাজকীয় সম্মান দিয়েছিল ফেনী – নীলিমা আক্তার নীলা আমাকে রাজকীয় সম্মান দিয়েছিল ফেনী – নীলিমা আক্তার নীলা

সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ার কারিগর শিক্ষক: মর্যাদাই ভবিষ্যৎ নির্মাণের ভিত্তি —এম নজরুল ইসলাম খান

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১.০১ পিএম
  • ২৪ বার পঠিত

৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য—“Standing with teachers: 60 years of protecting the profession, advancing its status and shaping our futures”—অর্থাৎ “শিক্ষকদের পাশে: পেশার সুরক্ষা, মর্যাদা বৃদ্ধি এবং আমাদের ভবিষ্যৎ গড়ার ৬০ বছর।” ১৯৬৬ সালের শিক্ষকতার মর্যাদা-সংক্রান্ত ঐতিহাসিক ILO-UNESCO সুপারিশের ৬০ বছর পূর্তিতে এবারের প্রতিপাদ্য শিক্ষকতা পেশার সুরক্ষা ও মর্যাদার গুরুত্ব নতুন করে সামনে এনেছে।
শিক্ষক কেবল শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করেন না; তিনি জ্ঞান, মূল্যবোধ ও মানবিকতার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলেন। তাই শিক্ষক দিবসের আনুষ্ঠানিকতা যেন শুধু ফুল, ক্রেস্ট কিংবা শুভেচ্ছাবার্তায় সীমাবদ্ধ না থাকে। শিক্ষকের প্রকৃত সম্মান নিশ্চিত করতে প্রয়োজন নিরাপদ কর্মপরিবেশ, ন্যায্য ও সময়োপযোগী বেতন-সুবিধা, সামাজিক সুরক্ষা, স্বাস্থ্য ও বিমা সুবিধা এবং যথাসময়ে পদোন্নতি।
শিক্ষক সংকট ও পদোন্নতিজট নিরসন, প্রাথমিক স্তরে যোগ্য ও বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ এবং শিক্ষকতার পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। কারণ নিরাপত্তাহীন ও অনিশ্চিত পেশা মেধাবীদের আকৃষ্ট করতে পারে না।
বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে শিক্ষকদেরও সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে হবে। এজন্য প্রয়োজন নিয়মিত যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, সেমিনার ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ। একই সঙ্গে শিক্ষকদের সৃজনশীল কাজ ও সাফল্যের যথাযথ স্বীকৃতি দিতে হবে। স্বীকৃতি যেমন উৎসাহ বাড়ায়, তেমনি শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ইতিবাচক সম্পর্কও গড়ে তোলে।
বাংলাদেশে এ বছর ১০০ জন গুণী শিক্ষককে জাতীয় সম্মাননা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে শিক্ষকসমাজের অবদানের স্বীকৃতি। তবে সম্মাননা যেন শুধু একটি দিনের আনুষ্ঠানিকতা না হয়ে শিক্ষকের প্রতিদিনের পেশাগত মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করার ধারাবাহিক উদ্যোগে পরিণত হয়।
শিক্ষকদেরও মনে রাখতে হবে—মর্যাদা কেবল দাবি করার বিষয় নয়, তা যোগ্যতা, নৈতিকতা, দায়িত্বশীলতা ও আদর্শ আচরণের মাধ্যমে অর্জন ও সমুন্নত রাখতে হয়।
বিশ্ব শিক্ষক দিবসের মূল শিক্ষা তাই স্পষ্ট—শিক্ষকের মর্যাদা রক্ষা মানেই শিক্ষার ভবিষ্যৎ রক্ষা। আর শিক্ষার ভবিষ্যৎ রক্ষা করেই নির্মাণ করা সম্ভব সুন্দর, জ্ঞানভিত্তিক ও মানবিক সমাজ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved  2021 manobsomoy
Theme Developed BY ThemesBazar.Com