
মানব সময় ডেস্ক :
আনোয়ারা-কর্ণফুলীতে সিডিএ-র পরিকল্পিত ভূমি অধিগ্রহণ, হুকুম দখল, নগরায়ন ও আবাসিক প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে কৃষিজমি সংরক্ষণ, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন এবং স্থানীয় জনগণের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
আনোয়ারা-কর্ণফুলী বর্তমানে চট্টগ্রামের দ্রুত পরিবর্তনশীল অঞ্চল সমূহের মধ্যে অন্যতম। পরিকল্পিত উন্নয়নকে আমরা স্বাগত জানাই। কিন্তু উন্নয়নের নামে যদি ক্রমাগত কৃষিজমি বিলীন হয়, মানুষের জীবিকা নষ্ট হয়, জলধারা ও খাল ভরাট হয় এবং ভূমি হারানো পরিবারগুলো আবাসনহীন উদ্বাস্তু হয়ে পড়ে তাহলে সে ধরনের উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক ও পরিবেশগত মূল্য এক সময় পুরো অঞ্চলকেই বহন করতে হয়। আনোয়ারা-কর্ণফুলীর বড়উঠান, চাতরী, বৈরাগ ও বারখাইন ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় ৭ হাজার একরের অধিক ভূমি অধিগ্রহণের পরিকল্পনা নিয়ে সিডিএ এগোচ্ছে।
শুধু জমি অধিগ্রহণ করে প্লট সৃষ্টি করলেই পরিকল্পিত নগর গড়ে উঠে না। পানি, পয়:নিষ্কাশন, সড়ক, বিদ্যুৎ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলার মাঠ, উম্মুক্ত স্থানসহ প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকার খচড়া মহা পরিকল্পনার উপর জনগণের মতামত গ্রহণে আনোয়ারা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অদ্য ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং দুপুর ১২টায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেনকে ১৭ দফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন আনোয়ারা ফাউন্ডেশনের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহের মাহমুদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা রাজা মিয়া, লেখক ও গবেষক জামাল উদ্দিন, আনোয়ারা ফাউন্ডেশনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নাছির উদ্দীন আহমদ শাহ্, সাধারণ সম্পাদক এম. নুরুল হুদা চৌধুরী, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং আনোয়ারা ফাউন্ডেশনের সহ সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো: জাবেদ আবছার চৌধুরী, আনোয়ারা ফাউন্ডেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক সাগর মিত্র, যুগ্ম সম্পাদক পরিমল দত্ত, দপ্তর সম্পাদক যীশু দাশ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ হারুন, প্রকাশ সরকার, জসিম উদ্দিন, সাজু দাশ প্রমুখ। নেতৃবৃন্দ ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনায় কৃষিজমি, পরিবেশ, জলধারা, খাল, নাগরিক সুবিধাদি সমূহ এবং স্থানীয় মানুষের অধিকারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা সাজানোর উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।