
মানব সময় ডেস্ক :
জীবন সুন্দর, আর সে সৌন্দর্য আরও বেশি প্রজ্জ্বলিত, বেগবান ও আনন্দদায়ক হয় যদি সম্মুখে এগিয়ে চলতে জীবনসঙ্গীর আন্তরিকতা ও ভালোবাসা থাকে দৃঢ় ও অটুট। ভালো জীবনসঙ্গী পাওয়া সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার। আর সেই জীবনসঙ্গী যদি হন একজন গুণী, আন্তরিক, মানবিক, পরিশ্রমী ও লক্ষ্যনিষ্ঠ মানুষ, তাহলে জীবনের প্রতিটি অর্জন হয়ে ওঠে আরও অর্থবহ।
এমনই এক গর্বের ও আনন্দের মুহূর্তের কথা জানিয়েছেন শিক্ষক, চিত্রশিল্পী, লেখক, সম্পাদক ও সংগঠক কাজী শামীমা রুবী।
সম্প্রতি একটি ম্যারাথনে অংশগ্রহণ করে সফলভাবে পদক অর্জন করেন তাঁর স্বামী আতিকুর রহমান। পেশায় তিনি একজন দক্ষ, বিচক্ষণ ও দূরদর্শী প্রকৌশলী। তিনি একাধিক গুণের অধিকারী। ফটোগ্রাফি তাঁর নেশা। অবসরে গিটার ও গান নিয়ে কাটে তাঁর সময়। ওয়ালটন ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায় তিনি ২০২২ সালে প্রথম স্থান অধিকার করে প্রথম পুরস্কার অর্জন করেন। এবার ম্যারাথনে অংশগ্রহণ করে তিনি সফলভাবে পদক অর্জন করেন।
এই সাফল্যের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বহুগুণসম্পন্ন কাজী শামীমা রুবী বলেন, স্বামীর অর্জিত ম্যারাথন মেডেল হাতে নেওয়ার মুহূর্তটি ছিল তাঁর জীবনের অন্যতম আনন্দের ও গর্বের সময়। যান্ত্রিক জীবনের কর্মব্যস্ততার মাঝে মনোবল, পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও আত্মনিবেদনের ফল হিসেবেই এই অর্জন সম্ভব হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, একজন জীবনসঙ্গীর সাফল্য অন্যজনের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে ওঠে। স্বামীর এই অর্জন তাঁকে যেমন আনন্দিত করেছে, তেমনি ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজ করার প্রেরণাও জুগিয়েছে।
আবেগঘন কণ্ঠে তিনি আল্লাহর কাছে দোয়া করে বলেন, আল্লাহ যেন তাঁর স্বামী আতিকুর রহমানকে জীবনের প্রতিটি কাজে সফলতা দান করেন এবং তাঁকে সবসময় সুস্থ, সুন্দর ও ভালো রাখেন। তিনি আরও বলেন, তাঁদের একমাত্র কন্যা তার বাবার এই স্বীকৃতিতে আনন্দে আপ্লুত। এছাড়া তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ভবিষ্যতেও তাঁর স্বামী দেশের জন্য ও নিজের উন্নয়নের জন্য এমন সাফল্য অর্জন করে যাবেন।