শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ার কারিগর শিক্ষক: মর্যাদাই ভবিষ্যৎ নির্মাণের ভিত্তি —এম নজরুল ইসলাম খান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন আজিজ নগর সাংগঠনিক উপজেলা শাখা আইন হবে সাইবার সুরক্ষার ঢাল: অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ —এম নজরুল ইসলাম খান সিডিএ চেয়ারম্যানকে আনোয়ারা ফাউন্ডেশনের স্মারকলিপি বাংলাদেশ সাংবাদিক ক্লাব-বিজেসি’র ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন চট্টগ্রামে ইয়েস একাডেমির প্রশিক্ষণ এবং গ্রীন শিফা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক এর সাথে চিকিৎসা সেবামূলক কর্পোরেট চুক্তি সম্পন্ন। চট্টগ্রাম মডেল স্কুলে পিটিএ ও স্টুডেন্ট কাউন্সিলের যৌথ সভা অনুষ্ঠিত: ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে বিশেষ গুরুত্ব আজকের মানব সময় সাহিত্য প্রকাশিত হলো শিক্ষানবিশ আইনজীবী শারমিন সুলতানা ঝুমুর লেখা “ব্যক্তিত্ব” আমাকে রাজকীয় সম্মান দিয়েছিল ফেনী – নীলিমা আক্তার নীলা আমাকে রাজকীয় সম্মান দিয়েছিল ফেনী – নীলিমা আক্তার নীলা

আজকের মানব সময় আইন আদালতে প্রকাশিত হলো এ্যাডভোকেট শাহানারা খাতুন (শানু)’র “মিসকেস দায়েরের কারণসমূহ” নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫.২৮ এএম
  • ১০৮ বার পঠিত

মা ন ব স ম য় ডে স্ক :
মিসকেস দায়ের করার কিছু সাধারণ কারণ হলো:
জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ:
একাধিক পক্ষের দাবি থাকলে জমির মালিকানা নিয়ে সমস্যার সৃষ্টি হয়। সমাধান: মিসকেস দায়ের করে আদালতে শুনানি নিয়ে মালিকানা প্রতিষ্ঠা করা।
নামজারি বা খতিয়ান সঠিক না হওয়া:
জমির মালিকানা সঠিকভাবে নামজারি বা খতিয়ান
উত্তোলন না হলে মিসকেস দায়ের করা হয়।
সমাধান: মিসকেসের মাধ্যমে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয় এবং সংশ্লিষ্ট দলিলাদি যাচাই করা হয়।
জমির সীমানা নিয়ে বিরোধ:
জমির সীমানা নিয়ে একাধিক পক্ষের মধ্যে বিরোধ হতে পারে।সমাধান: মিসকেসের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণ করা এবং জমির সীমানা নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা।
মিসকেস দায়েরের প্রক্রিয়া:
মিসকেস দায়ের করতে হলে সাধারণত নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করতে হয়:
অভিযোগ দাখিল:
প্রথমে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসে অভিযোগ দাখিল করতে হবে, যেখানে জমি বা খতিয়ান সম্পর্কিত সমস্যা উল্লেখ করা হবে। শুনানির আবেদন:
জমির সমস্যা সমাধানের জন্য শুনানির আবেদন করতে হবে। এটি ভূমি আদালতে দায়ের করা হয়, এবং ভূমি কর্মকর্তা বা ম্যাজিস্ট্রেট শুনানি নেন।
দলিল যাচাই: জমির মালিকানা সম্পর্কিত দলিল বা সনদ যাচাই করা হয়। যদি দলিলের মধ্যে কোনো অমিল থাকে, তখন তা সংশোধন করার জন্য আবেদন করা হয়। আদালতের সিদ্ধান্ত:
শুনানি শেষে আদালত বা ভূমি অফিসের কর্তৃপক্ষ তার সিদ্ধান্ত দেন। যদি সমস্ত তথ্য সঠিক হয় এবং কোন আইনি সমস্যা না থাকে, তাহলে মিসকেস মীমাংসিত হয়।
মিসকেসে প্রয়োজনীয় দলিল:
মিসকেস দায়ের করতে হলে নিম্নলিখিত দলিলগুলি প্রয়োজন: জমির ক্রয় দলিল অথবা ওয়ারিশ সনদ
পুরনো খতিয়ান বা পর্চা জাতীয় পরিচয়পত্র
জমির সীমানা প্রতিবেদন (যদি প্রয়োজন হয়)
নমিনেশন বা ক্ষমতাপ্রদান পত্র (যদি প্রয়োজন হয়)
মিসকেসের সুবিধা: আইনি সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ: মিসকেস দায়েরের মাধ্যমে জমির মালিকানা বা সীমানা সম্পর্কিত বিরোধ মীমাংসা হয় এবং আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়। আইনগত কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সমাধান: মিসকেসের মাধ্যমে আদালত বা ভূমি অফিসের নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ সমস্যার দ্রুত সমাধান প্রদান করতে পারে।
দলিলের সঠিকতা যাচাই: মিসকেসের মাধ্যমে জমির দলিলের সঠিকতা যাচাই করা হয়, যা ভবিষ্যতে যে কোনো আইনি সমস্যার সমাধানে সহায়ক।
ধন্যবাদান্তে:
এ্যাডভোকেট শাহানারা খাতুন (শানু)
বি.এস.এস(১ম শ্রেনী)এম.এস.এস( ১ম শ্রেনী ৩৬তম মেধা তালিকা)
এলএল.বি, এলএল.এম ( DIU)
জজকোর্ট, ঢাকা। মোবাইলঃ 01791118968- WhatsApp

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved  2021 manobsomoy
Theme Developed BY ThemesBazar.Com