শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ার কারিগর শিক্ষক: মর্যাদাই ভবিষ্যৎ নির্মাণের ভিত্তি —এম নজরুল ইসলাম খান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন আজিজ নগর সাংগঠনিক উপজেলা শাখা আইন হবে সাইবার সুরক্ষার ঢাল: অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ —এম নজরুল ইসলাম খান সিডিএ চেয়ারম্যানকে আনোয়ারা ফাউন্ডেশনের স্মারকলিপি বাংলাদেশ সাংবাদিক ক্লাব-বিজেসি’র ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন চট্টগ্রামে ইয়েস একাডেমির প্রশিক্ষণ এবং গ্রীন শিফা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক এর সাথে চিকিৎসা সেবামূলক কর্পোরেট চুক্তি সম্পন্ন। চট্টগ্রাম মডেল স্কুলে পিটিএ ও স্টুডেন্ট কাউন্সিলের যৌথ সভা অনুষ্ঠিত: ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে বিশেষ গুরুত্ব আজকের মানব সময় সাহিত্য প্রকাশিত হলো শিক্ষানবিশ আইনজীবী শারমিন সুলতানা ঝুমুর লেখা “ব্যক্তিত্ব” আমাকে রাজকীয় সম্মান দিয়েছিল ফেনী – নীলিমা আক্তার নীলা আমাকে রাজকীয় সম্মান দিয়েছিল ফেনী – নীলিমা আক্তার নীলা

হরেকৃষ্ণপুরে একটি আশ্রয়কেন্দ্র এখন সময়ের দাবি | Manob Somoy

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ২.৩৭ পিএম
  • ৯২ বার পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন, মানব সময় ডেস্ক :

নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের দক্ষিণ হরেকৃষ্ণপুর একটি গ্রামীণ জনপদ, যেখানে মানুষের জীবনযাপন এখনো প্রকৃতিনির্ভর এবং অনেকাংশে ঝুঁকিপূর্ণ। এই এলাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হলো হরেকৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, যা স্থানীয় শিশুদের জন্য একমাত্র শিক্ষার আলো ছড়ানোর কেন্দ্র। কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো—এই বিদ্যালয় ও আশপাশের জনবসতি প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ে।
বাংলাদেশ একটি দুর্যোগপ্রবণ দেশ। প্রতি বছর ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও জলোচ্ছ্বাসের মতো দুর্যোগ দেশের উপকূলীয় ও নিম্নাঞ্চলগুলোতে ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। দক্ষিণ হরেকৃষ্ণপুরও এর ব্যতিক্রম নয়। দুর্যোগের সময় নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবে এখানকার মানুষ, বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্করা চরম দুর্ভোগের শিকার হয়। অনেক ক্ষেত্রে জীবনহানির ঝুঁকিও তৈরি হয়।
এই প্রেক্ষাপটে হরেকৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি আধুনিক আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন অত্যন্ত জরুরি। এটি শুধু একটি অবকাঠামো নয়, বরং একটি নিরাপত্তার প্রতীক হতে পারে। দুর্যোগকালীন সময়ে এটি স্থানীয় জনগণের জন্য নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করবে। একই সঙ্গে এটি এলাকার মানুষের মধ্যে দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।
একটি আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের মাধ্যমে একাধিক সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব। প্রথমত, দুর্যোগের সময় মানুষ নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে পারবে, ফলে প্রাণহানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। দ্বিতীয়ত, এটি স্থানীয় জনগণের মধ্যে সচেতনতা ও প্রস্তুতি বৃদ্ধি করবে। তৃতীয়ত, বিদ্যালয়টি শুধু শিক্ষার কেন্দ্র হিসেবেই নয়, বরং একটি সামাজিক নিরাপত্তা কেন্দ্র হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
বর্তমান সময়ে টেকসই উন্নয়ন ও দুর্যোগ সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকার ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করেছে, যা বহু মানুষের জীবন রক্ষা করেছে। তাই দক্ষিণ হরেকৃষ্ণপুরের মতো ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় একটি আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা সময়োপযোগী এবং অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উদ্যোগ।
স্থানীয় সমাজকর্মী শহিদুল ইসলাম রনি এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তার এই উদ্যোগ প্রশংসনীয় এবং এটি এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি প্রতিফলিত করে। এখন প্রয়োজন প্রশাসনের সক্রিয় উদ্যোগ ও সহানুভূতিশীল সিদ্ধান্ত।
পরিশেষে বলা যায়, একটি আশ্রয়কেন্দ্র শুধু একটি স্থাপনা নয়—এটি মানুষের নিরাপত্তা, আশ্বাস এবং বেঁচে থাকার অধিকার নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। দক্ষিণ হরেকৃষ্ণপুরে একটি আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন এখন আর বিলম্ব করার মতো বিষয় নয়; এটি সময়ের দাবি এবং মানবিক দায়িত্ব বলে এক বিশেষ প্রতিবেদন এ উল্লেখ করেন সমাজকর্মী শহিদুল ইসলাম রনি।
(দক্ষিণ হরেকৃষ্ণপুর বদলকোট ইউনিয়ন,চাটখিল উপজেলা নোয়াখালী)

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved  2021 manobsomoy
Theme Developed BY ThemesBazar.Com