
মানব সময় ডেস্ক :
সাত পর্বের ধারাবাহিক নাটক “পাহাড়ি কন্যা” একুশে টেলিভিশনে প্রচারিত নাটকটি যেনো তাক লাগিয়ে দিলো সবাইকে। সবার মুখে মুখে পাহাড়ি কন্যা নামটি জানিয়ে দিলো, কতোটা সফলতায় তার অবস্থান। নাটকটি রচনা করেছেন, মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব এবং আলোকিত একটি নাম ড. শেখ মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম এবং পরিচালনা করেছেন বিখ্যাত নাট্য পরিচালক সঞ্জীব দাস। কারবারি চরিত্রে অভিনয় করে, সফল মানুষটি আবারো সফলতার শীর্ষে মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব পীরজাদা শহীদুল হারুন, তার দূর্দান্ত অভিনয় সত্যিই হার মানালো সবকিছু, এ দূর্দান্ত অভিনয়ের কোন মৃত্যু নেই। জনপ্রিয় অভিনেতা আশিক চৌধুরী বান্দরবান বেড়াতে এসে পছন্দ করে ফেলেন বান্দরবানের পাহাড়ি কন্যাকে, শেষ অবধি সে ভালোবাসার কথা না বলেই, ঢাকার উদ্দেশ্যে আবার রওনা দিলেন, আশিক চৌধুরী গর্বিত এ নামটি অভিনয়ে সেরাকেও হার মানালো এ প্রধান নায়ক। শেখ চাঁদনী পাহাড়ি কন্যা নায়িকার অভিনয়ে অর্জন করে নিলো, আরেকটি সফলতার গল্প। নাটকে আরো ছিলেন, সাব্বির, ফিরোজী, ফেরদৌস আহমেদ অপু,মিল্টন, অংচ মং,ক্যাসা মং, ছুরি মংসহ আরো অনেকেই।
অক্লান্ত পরিশ্রমই এনে দিলো ” পাহাড়ি কন্যা” নাটকের সফলতা। শুরুটা এমন ছিলো – হঠাৎ রেজাউল স্যারের কল, নীলিমা আমি বান্দরবানে একটি “পাহাড়ি কন্যা” নাটক করতে চাচ্ছিলাম, কেমন হবে বলতো?
আমি ভীষণ আগ্রহ নিয়ে বললাম, দারুণ খবর তো স্যার, ভীষণ ভালো হবে। সেদিন রাতেই স্যারকে প্রতিটা চরিত্রের নাম পাঠালাম,আর সে নামগুলোর একটি নামও স্যার বাতিল করলেন না, আমার উপর স্যারের এতোটা স্নেহ দেখে আমার চোখে পানি চলে এলো, কতটা বিশ্বাস করলে মানুষ এতবড় দায়িত্ব দিতে পারেন, আমি জানিনা।
তারপর স্যার এবং পরিচালক সঞ্জীব দাস, সাথে ছিলেন অভিনেতা আহমেদ অপু বান্দরবান এলেন এবং প্রতিটা জায়গা সিলেকশন করার দায়িত্ব আমাকে দিলেন, প্রথম প্রথম ভীষণ ভয় পাচ্ছিলাম আমি, কোন আবার ভুল হচ্ছে কিনা এভেবে। না সবই ঠিক ছিলো শেষ পর্যন্ত। স্যারেরা চলে গেলেন, ঢাকা গিয়েই আমাকে জানালেন, খুব শীঘ্রই উনারা আসছেন শুটিং এ।
আমি চারিদিকে ছোটাছুটি করতে লাগলাম, অভিনয় শিল্পীদের খুঁজে। পেয়েও গেলাম, দূর্দান্ত সব অভিনেতা,অভিনেত্রী। খুব ভালো লাগলো যে বিষয়টা, আমার কোন শিল্পীকে স্যার বাদ দেননি। খুব গর্বের সঙ্গেই বলছি, প্রথম টিভি সিরিয়ালে অভিনয় করেও আমাদের বান্দরবান শিল্পীরা প্রমাণ করে দিলো, সুযোগ পেলে তারাও এদেশের একজন বড় শিল্পী হতে পারে।
স্যালুট আমাদের গর্বিত অতিরিক্ত সচিব, পাহাড়ি কন্যা নাটক সৃষ্টিকারী মহানায়ক ড. শেখ মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম স্যার এবং গর্বিত নাট্য পরিচালক সঞ্জীব দাস দাদা। আপনাদের সৃষ্টি বার বার প্রশংসা কুড়িয়ে নিয়ে আসুক গর্বের সঙ্গে।