
নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) বন্দর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ আমিরুল ইসলামের সার্বিক দিকনির্দেশনায় অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ নাজিম উদ্দিন'র তত্ত্বাবধানে ইপিজেড থানা পুলিশ একটি সফল মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন।
৩০ জানুয়ারি রাতের ২টার সময় ইপিজেড থানার আকমল আলী রোড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ তিনজন কে গ্রেফতার করেছে ইপিজেড থানা পুলিশ।
অভিযানে ইপিজেড থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আতিকুর রহমান, বিপিএম। এসময় এএসআই মোঃ কামাল হোসেন'র সঙ্গীয় ফোর্সসহ উপস্থিত ছিলেন।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন
সৈয়দ রবিউল হোসেন ইপ্তি, শাহরিয়া হাসান রোকন,
বাবু মৃধা,এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে ইপিজেড থানার মামলা নং ২০। ধারা–মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ১৯(ক)/৪০/৪১ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
পরবর্তীতে বিধি মোতাবেক আসামিদের বিজ্ঞ মহানগর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে,
ইপিজেড থানা পুলিশ জানায় মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদকের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
বাবু মৃধা দীর্ঘদিন ধরে অত্র এলাকায় মাদকের সরবরাহ করতেন।গতকাল ৩০ জানুয়ারি পুলিশের অভিযানে গাজাসহ তাকে গ্রেফতার করেন পুলিশ। গ্রেফতার হওয়ার পরপরই অত্র এলাকার সাধারণ মানুষ নানা হয়রানির হাত থেকে কিছুটা রক্ষা পেয়েছে বলে জানিয়েছেন সংবাদমাধ্যম কে।
এবিষয়ে স্থানীয়দের কাছে জানতে চাইলে স্থানীয়রা সংবাদমাধ্যম কে বলেন,ইপিজেড এলাকার অলিগলিতে মাদকের সমরাজ্য গড়ে তুলেছে এই সোর্স বাবু মৃধা। স্বৈরাচারী সরকার থাকা অবস্থায় সাধারণ মানুষের জানমাল জায়গা জমিন সহ নানা অপকর্মে লিপ্ত ছিলেন এই বাবু মৃধা, কখনো নিজেকে পরিচয় দেন পুলিশের সোর্স, কখনো নিজেকে পরিচয় দেন মানবাধিকার কর্মী,বর্তমানে স্বৈরাচারী সরকার পালিয়ে যাওয়ার পর সাইনবোর্ড পাল্টিয়ে নিজেকে পরিচয় দেন তিনিও নাকি সাংবাদিক।
ইপিজেড এলাকায় বাবু মৃধার একটি সিন্ডিকেট চক্র রয়েছে। এই চক্রের চার থেকে পাঁচ জন সদস্য নিজেকে পরিচয় দেন অত্র এলাকার সাংবাদিক।
৫ই আগস্টের পর কথিত দুইজন সাংবাদিক কে সাধারণ মানুষ গণপিটুনি দিয়ে সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছিলেন। গণপিটুনি খাওয়ার পর অত্র এলাকায় কিছুটা শান্ত ছিল। বর্তমানে এই চক্রটি নিজেদের কে পরিচয় দেন পুলিশের বড় অফিসার, আবার কখনো মানবাধিকার কর্মী,আবার কখনো সাংবাদিক। বিভিন্ন সময় অপকর্ম করতে গিয়ে
জণসম্মুখে ধরা পড়লে নিজেকে বাঁচার জন্য ভূয়া সাংবাদিক পরিচয় দেন।
স্থানীয়রা আরও বলেন,এসব ভূয়া সাংবাদিকতার আড়ালে,নানা অপকর্ম করে আসছে এই চক্রটি। এসব ভুয়া সাংবাদিকদের জন্য প্রকৃত সাংবাদিকরা মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে গিয়ে হেউ প্রতিপণ্যের স্বীকার হতে হচ্ছে। অতি দ্রুত এই চক্রটিকে আইনের আওতায় এনে কঠিনভাবে শাস্তি দেওয়া হোক। যাতে করে সাংবাদিকতার মহান পেশাটাকে আর কলঙ্কিত করতে না পারে।
Editor : Md.Moslauddin (Bahar) Cell: 01919802081 Dhaka Office :: Manni Tower, Road 09,House : 1258 Mirpur Dhaka. Cell:01747430235 email : manobsomoynews@gmail.com Chattogram office :: Lusai Bhaban,( 2nd Floor) Cheragi Pahar Circle, Chattogram. Cell: 01919802081
© All rights reserved manobsomoy